প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 27, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 20, 2026 ইং
সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকা

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড, জনমত ও জনগণের অধিকার তুলে ধরতে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
স্বাধীনতার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। Banglapedia-র তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংবাদপত্রের ওপর আরোপিত কিছু নিয়ন্ত্রণ ধাপে ধাপে শিথিল করা হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে নিষিদ্ধ সংবাদপত্র পুনরায় প্রকাশের সুযোগ এবং সংবাদমাধ্যমে তুলনামূলক উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম পুনরায় চালু করার পাশাপাশি সংবাদ ও তথ্যের প্রবাহ উন্মুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। এ সময় সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশেও কিছু উদ্যোগ দেখা যায়। ১৯৭৬ সালে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) প্রতিষ্ঠিত হয়, যার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও গণমাধ্যমসংক্রান্ত প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
তবে সে সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ইতিহাসের অংশ। তাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ের আইন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সংবাদমাধ্যমের বাস্তব অভিজ্ঞতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে সংবাদমাধ্যমের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং সংবাদপ্রবাহকে অধিকতর উন্মুক্ত করার উদ্যোগ বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে আলোচিত হয়ে আসছে।
এস এম মেহেদী হাসান
লেখক (সাংবাদিক)
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আজকের যায় যায় বেলা